সাতটি নেক আমল যা সহজ কিন্তু ওজনে অনেক বেশী Leave a comment

Please like this article in your Social Media to earn Reward from Allah


আমাদের জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের পূর্ববর্তী সৎ যারা ছিলেন তারা জীবনের প্রতিটা মূহুর্তকে কাজে লাগাতেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এমন অনেক অলস সময় আমরা কাটাই যেটাকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করা জরুরী। আপাত দৃষ্টিতে সেটা অনেক কঠিন মনে হলেও, এমন কিছু সহজ অথচ অনেক বেশী বরকতময় আমল আমাদের মহানবী (সাঃ) আমাদের দেখিয়ে দিয়ে গেছেন যা আপনাকে দেবে অফুরন্ত পুন্য।

১। অপরকে যথাসম্ভব সাহায্য করুন।

আমাদের মহানবী (সাঃ) বলেন, 
‘যে মুসলিম দুনিয়াতে অপর এক মুসলিম ভাইয়ের কোন একটি সমস্যা বা বোঝা দূর করবে, আল্লাহপাক আখিরাতে তার বোঝা বা বিপদ দূর করে দিবেন। যে মুসলিম অপর মুসলিমের দুনিয়ার কোন একটি কঠিন ব্যাপারকে সহজ করে দিবে, আল্লাহপাক ও আখিরাতে তার কঠিন অবস্থাকে সহজ করে দিবেন। আর যে মুসলিম অপর মুসলিমের দোষত্রুটি দুনিয়াতে গোপন রাখবে, আল্লাহ তার দোষত্রুটি দুনিয়া ও আখিরাত উভয় স্থানেই গোপন রাখবেন।আর বান্দা যতক্ষন তার অপর এক ভাইকে সাহায্য সহযোগিতায় নিয়োজিত থাকে, আল্লাহপাক ও তাকে সাহায্য করতে থাকেন। ‘ (তিরমিযী)
আমরা একটু সচেতন হলেই এই আমলটি করতে পারি। প্রয়োজন শুধু


একটু সচেতনতা। যেমন বাসে অপর কোন ব্যক্তিতে সিট ছেড়ে দেয়া, এয়ারপোর্টে বা রেলস্টেশনে ব্যাগ স্যুটকেস এগিয়ে দেয়া অথবা কাউকে পথ দেখিয়ে দেয়া। 

২। হাসিমুখে কথা বলুন।

মহানবী (সাঃ) বলেছেন, 

‘মুসলিম ভাইএর প্রতি হাসিমুখে কথা বলাও সদ্‌কা’ (তিরমিযী)। 

হাসি অনেকটা সংক্রমনের মত। আপনি যদি কারো সাথে হাসিমুখে কথা বলেন, তাহলে আপনিতো ভালো বোধ করবেনই, সেই সাথে যার সাথে হাসি দিবেন সেও ভাল বোধ করবে।আমরা সাধারনত পথে ঘাটে চলতে গিয়ে কারো  সাথে চোখাচোখি হলে আমরা দ্রুত চোখ সরিয়ে নেই এবং এড়িয়ে যেতে চাই। আসুন, আমরা এই অভ্যাস ত্যাগ করি। এধরনের পরিস্থিতিতে অপর ভাইকে একটি সুন্দর হাসি দিয়ে অবাক করে দেই। হয়ত  সেই ভাই আপনার কাছ থেকে দেখে আরো অনেকের সাথে এই আমল করবে। এভাবে আপনি সদকায়ে যারিয়া পেতে থাকবেন।

৩। ছোট ছোট যিক্‌র গুলো করুন।

এরকম অনেক যিক্‌রই আছে যা অনেক ছোট ও সহজ, আমরাও সেগুলোকে হাল্কা মনে করি, কিন্তু বাস্তবিক সেগুলো অনেক উপকারী এবং নেক পাল্লায় ভারী।যেমনঃ উপরে উঠতে আল্লাহু আকবর, নিচে নামতে সুবহানাল্লাহ, কোন কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ, সর্বদা লা হাওলা অয়ালা কুয়্যাতা পড়া, কালেমায়ে তৈয়্যবা পাঠ করা, সকাল সন্ধ্যার আযকার ও যিক্‌র করা, ঘুমানোর আগের দোয়া পড়া, সুব্‌হানাল্লাহি অয়াবিহামদিহি ইত্যাদি পড়া।

৪। খাবার নষ্ট না করা।


কখন ও খাবার নষ্ট করবেন না। রাসুল (সাঃ) আমাদের আদেশ করেছেন যে, যদি কোন খাবার মাটিতে পড়ে ধুলো লাগে, তাহলে সেই ধুলো পরিস্কার করে যেন খাওয়া হয়। কারন, সেই খাবার না খাওয়া মানে শয়তানের জন্য রেখে দেয়া। একটু ভাবুন, সমাজে অনেকেই খাবার না খেতে পেয়ে খালি পেটে দিন কাটাচ্ছে। প্ল্যান করে খাবার তৈরী করুন। অতিরিক্ত খাবার থাকলে দান করুন।


৫। আপনার পিতামাতার জন্য প্রতিদিনই কিছুনা কিছু করুন।

আপনার পিতামাতা যদি জীবিত থাকেন, তাহলে আপনাকে অভিনন্দন জানাই। কারন আপনার কাছে জান্নাত রয়েছে। আপনার পিতামাতাকে খুশী করার জন্য প্রতিদিনই কোন না কোন প্রয়াস নিন। তাদের খুশী করুন। আর যদি তাঁরা জীবিত না থাকেন, তাহলে তাদের জন্য দুয়া করুন।  

৬। প্রতিদিন একটি আয়াত মুখস্থ করুন।

মনে হতে পারে অনেক কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আসল কথা হল, খুব সহজেই আসলে কাজটি করা সম্ভব। এখন সবার হাতেই আছে স্মার্ট ফোন। তাই কোরআন এখন সবসময়ই হাতের নাগালে। আপনি বাসে বা গাড়ীতে বসে, অথবা কোথাও অপেক্ষা করছেন এমন সময় অলস সময় পার না করে আয়াত মুখস্ত করুন। পরবর্তীতে পাঁচ অয়াক্ত সুন্নত নামাজে সেই আয়াত গুলো দিয়ে কিরাত পড়ুন। এভাবে ত্রিশ দিনে ত্রিশ আয়াত মুখস্থ হওয়া মানে, পুরো সুরা মুলক মুখস্থ হয়ে যাওয়া।

৭। Islamic Online University, Understand Quran Academy 

অথবা এধরনের কোন অনলাইন শিক্ষাক্ষেত্র বা প্রতিষ্ঠানে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন। এতে আপনি একটা রুটিনের মধ্যে থাকবেন।ফলে আপনার দ্বীন শিক্ষা হবে ফলপ্রসূ এবং Consistent.

Please share this article in your Social Media to earn Reward from Allah

Leave a Reply

SHOPPING CART

close
%d bloggers like this: